২৫১ রানেই থামলো বাংলাদেশের ইনিংস

 

 

নিউজথ্রি :: তামিম-সাইফের দুর্দান্ত সূচনার পর মুমিনুল-মুশফিকরাও ব্যাট হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। কিন্তু জয়াবিক্রমা এবং রমেস মেন্ডিসদের ঘূর্ণিতে নাকাল বাংলাদেশ। শেষ উইকেটে কিছুক্ষণ প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন তাইজুল ইসলাম। কিন্তু তার হিট উইকেটের পর ২৫১ রানেই থেমেছে বাংলাদেশের ইনিংস। আর তাতেই ফলোঅনে পড়েন মুমিনুলরা। ২৪২ রানে এগিয়ে থেকে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করার পর তৃতীয়দিন শেষে ২ উইকেট হারিয়ে ১৭ রান করেছে স্বাগতিকরা। ফলে লিড় তাদের লিড দাড়িয়েছে ২৫৯ রানে।

 

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কার করা ৪৯৩ রানের বিপরীতে নিজেদের প্রথম ইনিংসে শুভ সূচনা করেন দুই টাইগার ওপনোর তামিম ইকবাল এবং সাইফ হাসান। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে নিজের ৩১তম অর্ধশত পূর্ণ করেন তামিম। অপরপ্রান্তে ভালোই খেলছিলেন উদীয়মান তারকা ক্রিকেটার সাইফ। ওপেনিং জুটিতে দুজনের সংগ্রহ ৯৮ রান।

জয়াবিক্রমার বলে ধনঞ্জয়ার হাতে ক্যাচ তুলে দেয়ার আগে ২৫ রান করেনি সাইফ। দ্বিতীয় উইকেটে ব্যাট করতে আসেন আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান নাজমুল হাসান শান্ত। কিন্তু ব্যাট হাতে হতাশ করেছেন তিনি। সাইফ আউট হওয়ার পরের ওভারেই ফেরেন শান্ত। ৪ বল খেলে ব্যক্তিগত খাতায় কোনো রান তুলতে পারেনি শান্ত।

অধিনায়ক মুমিনুল হক নিয়ে ভালোই খেলছিলেন তামিম। দুজন মিলে গড়েন ৫২ রানের জুটি। সেঞ্চুরির দিকেই এগোচ্ছিলেন তামিম। কিন্তু এবারো ব্যর্থ হন। টানা চার ইনিংসে ফিফটির দেখা পাওয়ার পর সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে পারলেন না। ফিরেছেন ৭২ রানে।

চতুর্থ উইকেট জুটি মুশফিক-মুমিনুল মিলে তোলেন ৬৩ রান। সেখানে মুশফিকের ব্যাট থেকেই এসেছে ৪০ রান। অনেকটা দ্রুতই রান তুলছিলেন মুশি। ব্যাটিংয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়া এই টাইগার ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফেরান জয়াবিক্রমা। আউট হওয়ার পূর্বে ৬২ বলে ৪০ রান করেন তিনি। এছাড়া ব্যক্তিগত ৪৯ রানে ফিরেছেন মুমিনুল। আর আউট হওয়ার পূর্বে ৮ রান তুলেন লিটন।

এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ ১৬ এবং তাইজুল ইসলাম ৯ রান করেন। শেষ তিনজনেরও কেউই রানের খাতা খুলতে পারেননি। যদিও নটআউট ছিলেন রাহী।

বৃহস্পতিবার টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে। ব্যাট করতে নেমে লাহিরু থিরিমান্নের ১৪০, দিমুথ করুনারত্নের ১১৮, ওসাদা ফার্নান্দোর ৮১ এবং নিরোশান দিকভেলার অপরাজিত ৭৭ রানের ইনিংসের সুবাদে ৭ উইকেটে ৪৯৩ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে লঙ্কানরা।

বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ। এছাড়া একটি করে উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম এবং শরিফুল ইসলাম। #