সমানে জবাব দিচ্ছে জিম্বাবুয়ে

নিউজথ্রি ::   জিম্বাবুয়ে সফরের একমাত্র টেস্টে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে এক সেঞ্চুরি আর তিন হাফ-সেঞ্চুরির ওপর ভর করে রানের ছোটখাটো পাহাড়ই গড়েছে বাংলাদেশ দল। সফরকারীদের ৪৬৮ রানের জবাবে নিজেদের প্রথম ইনিংসে দ্বিতীয় দিনের শেষটায় ভালোই জবাব দিচ্ছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। দিন শেষে এক উইকেট ১১৪ রান সংগ্রহ করে ব্রেন্ডন টেলর বাহিনী। এখনো ৩৫৪ রানে এগিয়ে রয়েছে মুমিনুলরা।

দিনের শেষ ভাগে নিজেদের প্রথম ইনিংসের শুরুটা ধীরগতির হলেও জিম্বাবুয়ের জন্য এটা ইতিবাচকই ছিল। ওপেনিং জুটিতে ৬১ রান তোলেন সুম্বা এবং কাইতানো। তাসকিন-এবাদতরা যখন উইকেট নিতে ব্যর্থ, ঠিক তখনই দলের হয়ে কাজের কাজটা করেন টাইগার অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। জিম্বাবুইয়ান ওপেনার মিল্টন সুম্বাকে ৪১ রানে এলবিডব্লিউ করে সাজঘরে পাঠান।

এরপর কাইতানো এবং ব্রেন্ডন টেলর তিনটা শেষ করেন। ৩৩ রানে কাইতানো এবং ৩৭ রানে অপরাজিত রয়েছেন অধিনায়ক টেলর।

এর আগে দিনের শুরুতে ২৭০ রানে ৮ উইকেট হারানো বাংলাদেশের হয়ে ব্যাট করতে আসেন আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও তাসকিন আহমেদ। দিনের শুরুতে হয়তো অনেকে ভেবেছিলেন তিনশ করতেই ফুরিয়ে যাবে বাংলাদেশের সবকটি উইকেট।

কিন্তু সবাইকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দুর্দান্ত ব্যাট করতে থাকেন এই দুই ব্যাটসম্যান। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচের ব্যক্তিগত সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর সেটা দেড়শ রানে পৌঁছান রিয়াদ। অন্যদিকে তাসকিনে তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক। আর তাসকিন-মাহমুদউল্লাহর জুটি থেমেছে ১৯১ রানে। মাত্র ৪ রানের জন্য বিশ্বরেকর্ড করতে পারেননি।

প্রায় ২৩ বছর আগে নবম উইকেটে জুটিতে দুই প্রোটিয়া ক্রিকেটার মার্ক বাউচার এবং প্যাট মিসকক্স মিলে করেছিলেন ১৯৫ রান। তবে বিশ্বরেকর্ড না হলেও নবম উইকেটে বাংলাদেশের এবং হারারে ক্রিকেট গ্রাউন্ডের এটাই সর্বোচ্চ রানের জুটি।

তাসকিন আউট হন ৭৫ রানে। ১৩৪ বলে খেলা তার ইনিংসটি ১১ চারে সাজানো। শেষ উইকেটে খেলতে আসা এবাদত হোসেন শূন্যতে ফেরেন। অন্যদিকে ১৫০ রানে অপরাজিতই থাকেন সাইলেন্ট কিলার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ২৭৮ বলে শৈল্পিক এই ইনিংসে ১৭টি চার এবং একটি ছয়ও হাঁকিয়েছেন তিনি।

প্রথম দিনে মুমিনুল হক এবং লিটন কুমার দাসের ফিফটির কল্যাণে ২৭০ রান সংগ্রহ করেছিল টাইগাররা। #