মেদ ঝরাতে যেসব ডায়েট এড়িয়ে চলবেন

শরীরের অতিরিক্ত ওজন ঝরিয়ে ফিট থাকতে পছন্দ করেন সবাই। সুস্থ থাকতে যে নিয়মিত শরীরচর্চা করতেই হবে সেই বোধটাই নেই অনেকের মধ্যে। আর এর জন্য নানা রকম রোগ জাঁকিয়ে বসছে শরীরে। মোটা হলে যেমন বাড়ে শারীরিক সমস্যা তেমনই কিন্তু পছন্দের জামাও গায়ে আঁটে না। আর তখন

বেশিরভাগই ভাবেন একমাস টানা কড়া ডায়েটে থাকলেই বুঝি ওজন ঝরে যাবে। কিন্তু ইন্টারনেটে পাওয়া সব ডায়েটই যে আপনার জন্য কার্যকরী হবে এমন কিন্তু নয়। ডায়েট চার্ট তৈরি হয় প্রত্যেকের শরীরের গড়ন অনুযায়ী।

খাদ্যাভ্যাস এবং নানা শারীরিক অসুবিধের কথা বিচার করে তবেই কিন্তু বিশেষজ্ঞরা চার্ট বানিয়ে দেয়। যে চার্ট মেনে আপনার বন্ধুর এক মাসে ৩ কেজি ওজন কমেছে সেই চার্ট মানলে যে আপনারও ওজন ঝরবে এমনটা একেবারেই নয়।

সুস্থ থাকতে পানি, ফল, সবজি সকলকেই খেতে হবে। কিন্তু সেই সঙ্গে যাতে শরীর সঠিক পুষ্টি পায় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। আর তাই এই কয়েকটি ডায়েট কিন্তু একেবারেই এড়িয়ে চলবেন।

লেমোনেড ডায়েট

লেমোনেড ডায়েট মাস্টার ক্লিনস নামেও পরিচিত। মূলত ১০ দিন সলিড কোনও খাবার না খেয়ে সারাদিন লেবুর পানি খেয়ে থাকাই নিয়ম। বিভিন্ন লেবুর রসের সঙ্গে পানি মিশিয়ে পানীয় তৈরি করা হয়। তাই খেয়েই সারাদিন থাকতে হয়। এসব ডায়েট কিন্তু একেবারেই বিজ্ঞানসম্মত নয়।

হোল ৩০ ডায়েট

হোল ৩০ ডায়েটে ৩০ দিনের জন্য চিনি, অ্যালকোহল,দুধ, বেকড এবং ডাল এড়িয়ে চলতে বলা হয়। চিনি, অ্যালকোহল শরীরের জন্য মোটেও ভালো নয়। কিন্তু এই ডায়েটে শরীর খুব বেশি টায়ার্ড হয়ে পড়ে এবং ঘুমও ঠিকমতো হয় না।

পলেও ডায়েট

পলেও ডায়েটে প্রসেসড ফুড, শস্যদানা, ডাল এবং দুধের কোনও খাবার একেবারেই খেতে মানা করা হয়। তবে জোর দেওয়া হয় মাংস, মাছ, সবজি এবং ফলের উপর। এতেও কিন্তু শরীর সঠিক পুষ্টি পায় না। এমন ডায়েট মোটেও ব্যালান্সড ডায়েট নয়।

জি এম ডায়েট

জেনারেল মোটর ডায়েট হল ৭দিনের প্ল্যান। আর এই ডায়েটে শস্যদানা, দুগ্ধজাত খাবার, এবং যে কোনও প্রসেসড ফুড একেবারে বন্ধ রাখতে বলা হয়। আর এতে কিন্তু শরীরে পুষ্টির অভাব দেখা দেয়। #