পহেলা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালবাসা দিবসকে ঘিরে পানিসারায় ছিল উপছে পড়া ভিড়

পহেলা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালবাসা দিবসকে ঘিরে পানিসারায় ছিল উপছে পড়া ভিড়
পহেলা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালবাসা দিবসকে ঘিরে পানিসারায় ছিল উপছে পড়া ভিড়

এম আলমগীর, ঝিকরগাছা থেকে :: পহেলা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালবাসা দিবসকে ঘিরে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার পানিসারা ফুল মোড়ে ছিল হাজার হাজার মানুষের উপছে পড়া ভিড়। গোটা এলাকা ছিল হাজার হাজার মানুষের পদচারণায় মুখরিত।
ফুলের রাজধানী খ্যাত গদখালীর ফুল চাষ হয় মূলতঃ পানিসারা, হাড়িয়া, কৃষ্ণচন্দ্রপুর, কুলিয়া, বায়শা, পটুয়াপাড়া, সৈয়দপাড়া গ্রামগুলোতে। দেশের প্রায় ৭০ ভাগ ফুলের যোগান এই গ্রামগুলো থেকেই হয়। যে কারণে ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য এলাকাটি দর্শনীয় হিসাবে পরিচিতি লাভ করছে। এখন প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যাক মানুষ এ এলাকায় ঘুরতে আসেন।

পহেলা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালবাসা দিবসকে ঘিরে পানিসারায় ছিল উপছে পড়া ভিড়
পহেলা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালবাসা দিবসকে ঘিরে পানিসারায় ছিল উপছে পড়া ভিড়

আজ ছিল পহেলা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালবাসা দিবস। দিবসটিকে কেন্দ্র করে পানিসারা ফুল মোড়ের এলাকাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল। আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ ফুলের সৌন্দার্য উপভোগ ও অবসর কাটানোর জন্য এসেছিল। প্রিয় মানুষের সাথে সময় কাটাতে সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি ঘোরাঘুরি করেন। হাজার হাজার মানুষ নিয়ন্ত্রণের জন্য ঝিকরগাছা থানা পুলিশের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ারমত। এসআই সিরাজুল ইসলাম, এএসআই ওহিদুজ্জামান ও সোহেল রানার নেতৃত্বে পুলিশ ছিল দায়িত্বশীল।

পহেলা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালবাসা দিবসকে ঘিরে পানিসারায় ছিল উপছে পড়া ভিড়
এ ব্যাপারে পানিসারা সুরতজান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি ও খুলনা আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসের রিচার্স অফিসার কামরুজ্জামান বলেন, শুধু উৎসবের দিনে নয়, প্রায় প্রতিদিন সকাল-বিকাল এখানে প্রচুর দর্শনার্থীর আগমণ ঘটে। ভবিষ্যতে যায়গাটি একটি পর্যটনকেন্দ্র হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন »»  ঝিকরগাছার ফুলচাষীদের মুখে হাসি

ঝিকরগাছা থানার এসআই সিরাজুল ইসলাম বলেন, জায়গাটিতে প্রচুর জনসমাগম হবে বলেই ওসি স্যারের নির্দেশে আমরা এসেছি এবং শৃঙ্খলার বজার রাখার জন্য কাজ করছি। #