দেশে আটকে পড়া প্রবাসীরা কবে মালয়েশিয়া ফিরতে পারবেন তা এখনো অনিশ্চিত

https://news3.com.bd/wp-content/uploads/2020/11/দেশে-ফিরে-আটকে-পড়া-মালয়েশিয়া-প্রবাসীরা-পররাষ্ট্র-মন্ত্রণালয়-ঘেরাও-করেন.jpg
দেশে ফিরে আটকে পড়া মালয়েশিয়া প্রবাসীরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও করেন_নিউজথ্রি

মালয়েশিয়া সরকার ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশিকে সে দেশে ঢুকতে দেবে না

নিউজথ্রি ::   ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি ও মালয়েশিয়ায় ফিরে যাওয়ার দাবিতে কয়েক হাজার প্রবাসী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও করেন। পরে প্রবাসীদের  একটি প্রতিনিধি দল পররাষ্ট্র সচিবের সাথে কথা বলে প্রত্যাহার করে নেন। তারা জানান,  পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেয়ায় তারা কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন।

তারা বলেন, রোববার  মধ্যরাত রাত থেকে মালয়েশিয়া প্রবাসীরা প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হতে থাকেন। এরপর সোমবার সকালে তারা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও করেন। এজন্ প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও কালে মালয়েশিয়া গমেনেচ্ছুরা জানান, তাদের বেশিরভাগই করোনা মহামারির আগে ছুটিতে দেশে আসেন। করোনার কারণে  ফ্লাইট বন্ধ থাকায় তারা আর ফিরে যেতে পারেননি। ইতিমধ্যে অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে এবং অনেকের ভিসার মেয়াদ দ্রুতই শেষ হয়ে যাবে। এ অবস্থায় কর্মে ফেরা নিয়ে অনিশ্চতায় পড়েই তারা পররাষ্ট্র মন্ত্রণারয় ঘেরাও কর্মসূচি দেন ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ঘেরাওকালে  বেলা ১১টার দিকে আন্দোলনরত প্রবাসীদের পাঁচজনের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক এম জে এইচ জাবেদ।
তিনি প্রতিনিধি দলকে জানান, করোনা পরিস্থিতির কারণে মালয়েশিয়া সরকার ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশিকে সে দেশে ঢুকতে দেবে না। তাই সে দেশের সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রবাসীদের অপেক্ষা করা ছাড়া বিকল্প নেই।

মালয়েশিয়া সরকার করোনাভাইরাস মহামারির কারণে দেয়া নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে এই প্রবাসীদের ফিরে যেতে সরকারের পক্ষ থেকে সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন এম জে এইচ জাবেদ। এরপর দুপুর দেড়টার দিকে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন প্রবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি এবং যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তাদের পুনরায় ভিসা দেয়ার ব্যাপারে সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি । দেশে দীর্ঘদিন কাজ না থাকার কারণে যারা অর্থকষ্টে রয়েছেন, তিনি তাদের আর্থিক সহযোগিতার বিষয়টি নিয়েও কাজ করবেন বলে জানান । #