চৗগাছায় স্কুল শিক্ষিকার ছাদ বাগানে অসময়ে শোভা পাচ্ছে জামরুল

চৗগাছায় স্কুল শিক্ষিকার ছাদ বাগানে অসময়ে ধরেছে জামরুল
চৗগাছায় স্কুল শিক্ষিকার ছাদ বাগানে অসময়ে ধরেছে জামরুল

চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি :: যশোরের চৌগাছা পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের থানাপাড়া মহল্লার বাসিন্দা রোজী মাহমুদ। কিন্ডার স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা তিনি। নিজ বাড়ির ছাদে তৈরী করেছেন ছাদ বাগান। আছে হরেক রকমের গাছ গাছালি। ছাদে লাগানো গাছের মধ্যে একটি জামরুল গাছে অসময়ে ধরেছে জামরুল।

থানাপাড়ার বাসিন্দা রোজী মাহমুদ প্রতিভা এডাস স্কুলের ইনচার্জ। দক্ষতার সাথে স্কুল পরিচালনার পাশাপাশি সংসার সামাল দেন, আবার অবসরে কাজ করেন নিজ বাসার ছাদে তৈরী করা বাগানে। তার বাগানে আছে পেয়ারা, মাল্টা, চায়না লেবু, জামরুল,শশা, আমড়া ও ঔষধি গাছ। দু’বছর আগে লাগানো একটি জামরুল গাছে গত রমজান মাসে জামরুল ধরে। রমজানের ইফতারে নিজের পরিবারসহ আত্মীয় স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশির মাঝে তা বিতরণ করেন। কিন্তু প্রচন্ড এই শীতেও তার জামরুল গাছের এক ডালে ধরেছে বেশ কয়েকটি জামরুল। এখনও খাওয়ার উপযোগী না হলেও লাল রঙে গাছকে রাঙিয়ে তুলেছে।

স্কুল শিক্ষিকা রোজী মাহমুদ বলেন, প্রায় ৩ বছর হলো ছাদে স্বল্প পরিসরে কিছু ফলজ ও ঔষধি গাছ লাগিয়েছেন। অধিকাংশ গাছ ইতোমধ্যে ফল দেয়া শুরু করেছে। দু’টি পেয়ারা গাছ হতে বছরের প্রায় পুরো সময় ধরে পেয়ারা খাওয়া যায়, যা বেশ সুস্বাধু। একটি জামরুল গাছ আছে। গাছটি লাগানোর এক বছর পর হতেই ফল দিতে শুরু করে। গাছটির জামরুল যেমন মিষ্টি তেমন দেখতেও সুন্দর। শীতের সময় গাছে দেখা দেয় ফুল। সেই ফুল থেকেই জামরুল ধরেছে। বর্তমানে জামরুল গুলো লাল বর্ণ হয়েছে। আর কিছু দিন গেলে তা খাওয়ার উপযোগী হবে।

উপজেলা কৃষি অফিস জানান, এই সময়ে গাছে জামরুল ধরার বিষয়টি খুব একটা অবাক করার মত কিছু না, কারণ দেশে কিছু কিছু হাইব্রিড জাতের জামরুল আছে যা বছরে দুই বার করে ফল দেয়। তবে বাড়ির ছাদে তৈরী বাগানে এমন ফল হলে তো ভাল লাগারই বিষয়।#