কাশি সারেনা কেন ? কী করবেন ?

https://news3.com.bd/wp-content/uploads/2020/10/কাশি-কেন-সারেনা.jpg
কাশি

কাশিতে ভোগেন না এমন মানুষ নেই। নানা কারণেই মানুষ কাশিতে আক্রান্ত হন। তাই আরোগ্য লাভের জন্য ওষুধও খান। কিন্তু দেখা যায় তাতে ঠিকমত কাজ হচ্ছে না। এর কারণ কি ?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন,  কাশির কারণ যদি হয় ঠান্ডা লাগা বা দূষণ হয়, তাহলে শুধু ওষুধে পুরোপুরি কাজ নাও হতে পারে । তাই খাবারেও লাগাম দিতে হবে। নইলে যতই সিরাপ, মধু, আদা খান, কাশি দ্রুত থামবে না।

যে খাবার এড়িয়ে চলবেন

ভাজাভুজি :
কাশি হলে অনেক সময়ই মুখে রুচি থাকে না। অনেকেই ভাজা খাবার খেয়ে রুচি ফেরানোর চেষ্টা করেন। ওটাই ভুল করেন। তাতে কাশি বাড়ে। ফাস্ট ফুড, জ্যাঙ্ক ফুড কাশি হলে ডাক্তাররা পুরোপুরি ছাড়তে বলছেন।

দুধ :
কাশি হলে অনেকেই গরম দুধ খেতে বলেন, তাতে গলায় বেশ আরাম লাগে। কিন্তু একই সঙ্গে দুধ ফুসফুস ও গলায় মিউকাস সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়। তাতে কাশি বৃদ্ধি পায়। তাই কাশি হলে দুধ এড়িয়ে চলুন।

ডিহাইড্রেশন : 
কাশি হলে গলা শুকনো রাখবেন না। চিকিৎসকরা বলছেন, এ সময় তরলজাতীয়  খাবার খান।  স্যুপও খেতে পারেন।

টক জাতীয় ফল :
সাইট্রিক অ্যাসিড আছে, কাশি হলে এ জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। সাইট্রিক অ্যাসিড গলায় সংক্রমণ ঘটায় ও কফ বাড়িয়ে দেয়। লেবুজাতীয় ফলকেই বলা হয় Citrus fruit.  এর ভেতরে থাকে যথেষ্ট পরিমাণ সাইট্রিক এসিড।

প্রক্রিয়াজাত খাবার :
কাশি চলাকালীন সময়ে প্রক্রিয়াজাত খাবার একেবারেই না খাওয়া ভালো। তাতে কাশি বাড়বে। তাই পাস্তা, ব্রেড, চিপস পরিহার করুণ । তাঁর পরিবর্তে শাকসবজি বা পুষ্টিকর খাবার খান। বিশেষ করে ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ খাবার খান।

নিন চিকিৎসকের পরামর্শ

তবে হ্যাঁ, যাই করুণ না কেন, তা হতে হবে চিকিৎসকের পরামর্শমত। তাই সব কিছু করুণ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।#

 

 

 

তথ্য:  সংগৃহীত